বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের একটি জায়গা। যে জায়গায় প্রবেশ করার পর অনেক বিমান এবং জাহাজ রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গেছে যেগুলোর আর কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকি তাদের সাথে কি ঘটেছিল তাও জানা যায়নি।
এই জায়গায় নিখোঁজ জাহাজ এবং বিমানের সঠিক সংখ্যা সম্পর্কে কারো জানা নেই। তবে বিভিন্ন তথ্য মতে 50 টেরও বেশি জাহাজ এবং ২০ টিরো বেশি বিমান এই জায়গায় নিরুদ্দেশ হয়ে গেছে বলে জানা যায়।
এই স্থানে অলৌকিকভাবে যে সকল যানবাহন উধাও হয়ে গিয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, আমেরিকান আর্মির তখনকার অত্যাধুনিক ৫টি যুদ্ধবিমানের একটি গ্রুপ। যেগুলো একই সাথে যাচ্ছিল। এরা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের এরিয়ার ভেতরে ঢোকার পর হঠাৎ বিমানগুলোর সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এবং এদের আর কোন সারা শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরবর্তীতে সেগুলো খুঁজে পাওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু সেগুলোর আর কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এমনকি সেগুলোর কোন ধ্বংসাবশেষ ও খুঁজে পাওয়া যায়নি। এই পাঁচটি বিমানের একই সাথে রহস্যময় ভাবে উধাও হয়ে যাওয়ার কোন ব্যাখ্যা US মিলিটারি এখনো পর্যন্ত দিতে পারেনি। এই ৫টি বিমানের গ্রুপটি Flight-19 নামে পরিচিত। আধুনিক কালের টেকনোলজি দিয়ে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের সমুদ্রের তলদেশ পর্যালোচনা করেও যত জাহাজ এবং বিমান নিরুদ্দেশ হয়েছে তাদের কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।
অবস্থান:
এই এরিয়াটির আকার অনেকটা ট্রায়াঙ্গেল বা বাংলায় ত্রিভুজ আকৃতির (∆)। এজন্য একে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল বলা হয়ে থাকে। এই এরিয়াটির বিস্তৃতি আমেরিকার দক্ষিনে ফ্লোরিডা থেকে বারমুডা এবং আরেক পাশ পোর্তো-রিকো পর্যন্ত। এই এরিয়ার একুরেট বাউন্ডারি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়। আনুমানিকভাবে এর আয়তন ১৩ লক্ষ থেকে 39 লক্ষ স্কয়ার কিলোমিটার। কোন আন্তর্জাতিক মানচিত্রে কিংবা সাগরের মানচিত্রে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের অবস্থান দেখানো হয় না। কারণ এটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোন বাউন্ডারি নেই।
আবিষ্কার:
১৯৬৪ সালের আগে পর্যন্ত এই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল সম্পর্কে তেমন কোন জানাশোনা ছিল না। এটি প্রথম মানুষের কাছে আসে ভিনসেন্ট গ্যাডিস নামক একটি ম্যাগাজিন এর মাধ্যমে। যেখানে এই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলকে একটি অলৌকিক স্থান যেখানে জাহাজ কিংবা উড়োজাহাজ চিরতরে হারিয়ে হয়ে যায় বলে জানানো হয়েছিল।
বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে এত রহস্যময় ঘটনা থাকলেও বর্তমানে এটিকে খুব বেশি ভয়াবহ জায়গা হিসেবে ধরা হয় না। কারণ এই এরিয়াতে ঘটা এসব রহস্যময় দুর্ঘটনার পরিমান খুবই কম। এই এরিয়া দিয়ে প্রতিদিন যে পরিমাণে জাহাজ এবং বিমান চলাচল করে সে তুলনায় দুর্ঘটনার পরিমান খুবই নগণ্য। ২০১৩ সালে ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড (WWF) এর করা সার্ভে অনুযায়ী, সমুদ্রের সবচেয়ে বিপদজনক দশটি স্থানের মধ্যে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের নাম নেই। এমনকি এই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল দিয়ে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি জাহাজ চলাচল করে।
তবে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে মাঝেমধ্যেই ঝড় এবং হারিকেন হয়ে থাকে। আটলান্টিক মহাসাগরের সবচেয়ে গভীরতম স্থান এই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের ভিতরে অবস্থিত। যেটিকে পোর্তোরিকো ট্রেন্স বলা হয়। যার গভীরতা ২৭৪৯৩ ফিট।
পরবর্তীতে আপনি কোন বিষয় সম্পর্কে জানতে চান তা কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিন।

এ ধরনের ঘটনা আরো জানতে চাই
Nice information
বিস্ময়কর জিনিস সম্পর্কে আরও কিছু জানতে চাই।
[…] এখনও পর্যন্ত সমুদ্রের এমন আরো অনেক রহস্য আছে যার ব্যাখ্যা করতে […]
এটা পড়ে ভালোই লাগল❤️ধন্যবাদ
Ata koto ager
ধন্যবাদ
ধন্যবাদ
Skidusjehuwiwlpwshskkziziziisisisizuhdvzysbwo92 sjw. wiw
Nice information