অক্সিজেনের উৎপাদন গাছ থেকে নয় বরং সমুদ্র থেকে বেশির ভাগ হয়।
বিস্তারিত: বেশিরভাগ সময় আমরা ভেবে থেকি অক্সিজেনের উৎপাদন হয় শুধু গাছ থেকে। আসলে না। সাগরের পানিতে থাকা একটি ব্যাকটেরিয়া নাম প্রোক্লোরোকোকাস। কিন্তু এই সামান্য ব্যাকটেরিয়া আমাদের সমগ্র জীবজগতের ২০% পর্যন্ত অক্সিজেন তৈরি করে থাকে। যা স্থলভাগের সমস্ত গ্রীষ্মমন্ডলীয় রেইনফরেস্টের তুলনায় বেশি শতাংশ। এটি পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম সালোকসংশ্লেষী জীব। এই প্রোক্লোরোকোকাস ব্যাকটেরিয়া এত ছোট যে এরা সামুদ্রিক পানির এক ফোঁটার মধ্যে প্রায় 20,000 টি আটবে। সব মিলিয়ে পৃথিবীতে প্রায় ৩ বিলিয়ন বিলিয়ন বিলিয়ন প্রোক্লোরোকোকাস আছে।
এছারা আছে প্ল্যাঙ্কটন, সামুদ্রিক শৈবাল এবং অন্যান্য সালোকসংশ্লেষণকারীরা জীব। এসব মিলে বিজ্ঞানীদের মতে পৃথিবীর অক্সিজেন উৎপাদনের ৫০ থেকে ৮০% হয় মহাসাগর থেকে। এরা সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে এটি করে। সূর্যালোক থেকে শক্তি ব্যবহার করেন তারা কার্বন ডাই অক্সাইড এবং জলকে চিনি এবং অক্সিজেনে পরিণত করে। এই চিনি এরা ব্যবহার করে খাবার হিসাবে। আর অক্সিজেন ছেরে দেয় বায়ুমণ্ডলে।
এছারা ডায়াটম হল এককোষী শৈবাল যা কাচের মতো ঘর তৈরি করে। বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন যে য়ামাদের প্রতি পাঁচটি শ্বাসের মধ্যে একটিতে অক্সিজেন আসে ডায়াটম থেকে। এইভাবে মহাসাগরগুলি ধীরে ধীরে আমাদের বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন তৈরি করে। একই সময়ে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ হ্রাস করে। এসব সামোদ্রিক জীব শুধু অক্সিজেন উৎপাদন করেনা, তিমি সহ অনেক প্রাণী খাদ্যের জন্য তাদের উপর নির্ভর করে।
আমরা এখন জানি যে, গ্রহের অর্ধেকেরও বেশি অক্সিজেনের উৎপাদন হয় সমুদ্র থেকে। কিন্তু এই অক্সিজেন আসলে পুরো মহাসাগর থেকে আসেনা। আসে শুধুমাত্র উপরের ২০০ মিটার (৬৫৬ ফুট) থেকে কারন এতটুক দুরত্য পর্যন্ত সূর্যের আলো জলের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করতে পারে। যা সালোকসংশ্লেষণ এর জন্য জরুরি। এজন্য এই উপরের জোনে আমরা সব ধরনের সালোকসংশ্লেষী জীব দেখতে পাই। ন্যাশনাল ওসেনিক সার্ভিস অনুসারে, সমুদ্রে থাকা বিভিন্ন উদ্ভিদ-ভিত্তিক সামুদ্রিক জীব বাতাসের অর্ধেকেরও বেশি অক্সিজেন তৈরি করে। তবে বিজ্ঞানীরা এখনও পর্যন্ত সমুদ্রের এমন আরো অনেক রহস্য আছে যার ব্যাখ্যা করতে পারেনি।
জলবায়ু বিজ্ঞানীরা ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটন সম্পর্কে আরও জানতে আগ্রহী। কারণ তারা কার্বন নিঃসরণ করে এবং অক্সিজেন উৎপাদনে ভূমিকা পালন করে।
সুতরাং মনে রাখবেনঃ
যদিও গাছ এবং বন অপরিহার্য অক্সিজেন উত্পাদক, কিন্তু তারা শুধুমাত্র একা নয়। পরের বার আপনি পৃথিবীর “ফুসফুস” সম্পর্কে চিন্তা করলে সমুদ্রের কথাও ভাববেন।

[…] ট্রায়াঙ্গেল উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের একটি জায়গা। যে জায়গায় প্রবেশ করার […]
কিছু কিছু বানান ভুল আছে জনাব
very helpful. I like it very much.
Thank