Skip to content
dss.snivertech.com Logo

দৈনিক পারিপার্শ্বিক মজার বিজ্ঞান

দৈনিক আমাদের চারপাশে থাকা বিজ্ঞান বিষয়ক মজার মজার তথ্য.

  • হোম
  • ইউনিভার্স
  • জিওগ্রাফি
  • টেকনোলজি
  • প্রকৃতি
  • জীব জগৎ
  • Toggle search form
এটি আগেও দেখেছি মনে হওয়া বা দেজা ভ্যু , RK Ridi , Nahid , Rihid

কোন কিছু এর আগেও দেখেছি মনে হওয়া বা দেজা ভ্যু

Posted on 12/08/202212/08/2022 By sohan 206 Comments on কোন কিছু এর আগেও দেখেছি মনে হওয়া বা দেজা ভ্যু

আপনারকি হঠাৎ কখনো এমনটা মনে হয়েছে যে আপনি যা দেখছেন তা আপনি এর আগেও দেখেছেন। আপনার সামনে যা ঘটছে তা এর আগেও আপনার সামনে ঘটেছে। কিন্তু এটা মনে করতে পারছেননা যে কবে কখন এটা দেখেছেন। ভেবে পাচ্ছেন না কেনইবা সবকিছু এতটা পরিচিত কেন মনে হচ্ছে।

হ্যাঁ এটাকেই বিজ্ঞানের ভাষায় বলে দেজা-ভ্যু (Déja vu)। যখন একজন মানুষের সাথে এই দেজা ভ্যু ঘটে তখন তার মনে হাজারো প্রশ্ন ঘুরতে থাকে। এমনকি অনেকে ভেবে থাকেন এটি পূর্ব জন্মের কোন প্রতিচ্ছবি বা এটা আধ্যাত্মিক কার্যকলাপ। না এটি কোন অলৌকিক বিষয় না। এটির বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা রয়েছে। এটি আসলে কেন হয়? তা নিয়ে বিজ্ঞান কি বলে? এটি বুঝতে হলে এই পোষ্টটি পুরোটা মনোযোগ দিয়ে ভাল করে বুঝতে হবে।

কিভাবে দেজা-ভ্যু হয় সেটি বুঝতে হলে অবশ্যই অবশ্যই ৪টা জিনিস সম্পর্কে আগে ভালো করে বুঝতে হবে।
  1. মস্তিষ্কের চেতন অংশ সম্পর্কে।
  2. মস্তিষ্কের অবচেতন অংশ সম্পর্কে।
  3. আমরা চোখ দিয়ে আসলে কিভাবে কোন কিছু দেখি।
  4. দ্রুতগতিতে চোখে কোন পোকা ঢুকতে নিলে চোখের পাতা অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যায় কিভাবে।

Conscious and Unconscious part of brain

মস্তিষ্কের চেতন অংশ:

আমাদের ব্রেইনে দুটি অংশ থাকে। একটি হচ্ছে চেতন অংশ এবং আরেকটি অবচেতন অংশ। আমরা সারাদিন যা করি, শুনি, দেখি, চিন্তা করি, অনুভব করি এই সব গুলোর কার্যক্রমি হয় মস্তিষ্কের চেতন অংশে। মানে আমরা যা কিছু বুঝতে পারি এবং অনুভব করতে পারি সেগুলো সবি মস্তিষ্কের এই অংশে প্রসেস হয়।

মস্তিষ্কের অবচেতন অংশ:

আমাদের মস্তিষ্ক নিজে থেকে এমন হাজারো কাজ করে থাকে যা আমরা অনুভব করিনা বা কখনো বুঝতেও পারিনা। এই কাজ গুলো হয় আমাদের ব্রেইনের অবচেতন অংশ করে থাকে।

ভেবে দেখেন আপনি রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন। আপনি কি প্রতিবার ইচ্ছাকৃতভাবে আপনার পা উপরে তুলে সেটি সামনে নিয়ে মাটিতে ফেলে তারপর তারপর আবার পিছনের পা উপরে তুলে সামনে নিয়ে যান? না আপনি জাস্ট হাটা শুরু করলে তারপরে আপনার পা অটোমেটিক এগুলো করতে থাকে। পথের কত বাধা বিপত্তি, চড়াই উতরাই আছে। কোথায় কিভাবে পাকে চলতে হবে আপনার অজান্তেই আপনার মস্তিষ্কের অবচেতন অংশ তা পাকে বলে দিচ্ছে। রাস্তার কোথায় গর্ত আছে আপনি খেয়ালো করেননি কিন্তু দেখবেন আপনার পা ঠিকি গর্ত পার হয়ে এসেছে। পাকে কে বলেছে যে সামনে গর্ত আছে ? আপনার চোখ ঠিকি গর্ত দেখেছে কিন্তু আপনার ব্রেইনের চেতন অংশ সেটা খেয়াল করেনি কিংবা খেয়াল করার প্রয়োজন মনে করেনি। কিন্তু আপনার অবচেতন অংশ ঠিকি খেয়াল করেছে এবং পাকে বলেও দিয়েছে যে ওখানে কিভাবে চলতে হবে।

আপনার হৃদপিণ্ড প্রতি মিনিটে এতবার স্পন্দিত হচ্ছে, এই স্পন্দনকি আপনি ইচ্ছাকৃতভাবে করছেন? নিঃশ্বাস নিচ্ছেন আবার ছাড়ছেন এটাকি আপনি ইচ্ছাকৃতভাবে করছেন? না এগুলোও আপনার মস্তিষ্কের অবচেতন অংশ আপনার অজান্তেই করছে। এমনকি আপনি ঘুমিয়ে থাকা অবস্থাতেও এই অংশ অনেক কাজ করতে থাকে। ব্রেইনের অবচেতন অংশের গতি চেতন অংশের চাইতে অনেক বেশি।

visual cortex

আমরা চোখ দিয়ে আসলে কিভাবে কোন কিছু দেখিঃ

আমরা সাধারনত জানি একটি বস্তু থেকে আমাদের চোখে আলো এসে পড়লেই আমরা তা দেখতে পাই। না আসলে চোখে আলো এসে পরলেই আমরা সেটি দেখতে পাই না। কোনকিছু দেখার জন্য আমাদের চোখে এসে পরা সেই আলোর সিগনালটি প্রথমে যায় ব্রেইনের একদম পেছনে থাকা একটি এরিয়াতে যার নাম অসিপিটাল লোভ বা ভিজুয়াল কর্টেক্স যেটি মস্তিষ্কের চেতন অংশের অংশ। এছারা সিগনালটি ব্রেইনের অবচেতন অংশেরো কয়েকটি যায়গায় যায়। প্রথমে সেসব স্থানে গিয়ে সিগন্যালটি প্রসেস হয়, তারপর সেগুলোকে একত্রে সিনক্রোনাইজ করে আবার পাঠানো হয় আমাদের  ব্রেইনের সেসব অংশে যেখানে সিগনালটির অনুভুত হয় মানে আমরা দেখতে পাই। এরপর আবার আমাদের দেখা সেই ছবিটিকে পাঠানো হয় মস্তিষ্কের মেমোরিতে যেখানে সেটি সেভ হয়ে থাকে। কেও এক্সিডেন্ট করার ফলে যদি মস্তিষ্কের এই ভিজুয়াল কর্টেক্স ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন চোখ ভালো থাকা সত্যেও সেই লোক চোখে দেখতে পায় না।

চোখে প্রচন্ড গতিতে পোকা ঢুকতে নিলে চোখের পাতা অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যায় কিভাবে?:

ভেবে দেখুনতো আপনি রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন কিংবা মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন ঠিক এমন সময় একটি পোকা আপনার চোখের দিকে আসতে শুরু করলো। কিছু বুঝে ওঠার আগেই দেখবেন আপনার চোখের পাতা অটোমেটিক বন্ধ হয়ে গেছে। যার ফলে পোকাটি আপনার চোখে আঘাত করতে পারেনি। এই চোখের পাতাটাকি আপনি ইচ্ছা করে বন্ধ করেছেন? আপনিকি আগে পোকাটিকে দেখে তারপর ডিসিশন নিয়েছেন যে আমার চোখটা বন্ধ করা দরকার? না এত কিছু করার সময় ছিলোনা। আপনার মনের অজান্তেই আপনি বন্ধ করে ফেলেছেন। কিভাবে সম্ভব হলো এটা? হ্যাঁ এটাও আপনার অবচেতন অংশে কাজ।

এখানেই সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পোকাটি থেকে চোখে আসা আলো আপনার ব্রেইনের অবচেতন অংশ এবং চেতন অংশ দুই অংশেই গিয়েছে। এবং আমরা জানি আপনার মস্তিস্কের অবচেতন অংশ ভিজুয়াল কর্টেক্সের চাইতে অনেক বেশি দ্রুত গতি সম্পন্ন। যদিও সাধারণত আপনার মস্তিস্কের অবচেতন অংশ এবং ভিজুয়াল কর্টেক্স থেকে আসা সিগনালগুলোকে একত্রে সিনক্রোনাইজ করে তারপর মস্তিষ্কের চেতন অংশে পাঠানো হয় সেটি দেখার জন্য। কিন্তু এই ক্ষেত্রে যখন আপনার অবচেতন ব্রেইন পোকাটি দেখতে পেয়েছে তখন চিন্তা করেছে যে, এখন যদি এই সিগনাল একত্রিত করে আপনাকে আগে দেখানো হয় তারপর আপনার নিজে থেকে ডিসিশন নিতে হয় চোখ বন্ধ করার তাহলে খুব বেশি দেরি হয়ে যাবে। ততক্ষণে হয়তো পকাটি আঘাত হেনে ফেলবে। তাই সেসময় অবচেতন ব্রেইন কাওকে সিগন্যাল না পাঠিয়ে নিজে থেকেই ডিসিশন নিয়ে নেয় চোখের পাতা বন্ধ করার। এবং চোখের পাতাকে সিগনাল পাঠায় বন্ধ হয়ে যেতে।

যেহেতু এই অংশের গতি বেশি তাই আপনি পোকাটি দেখার আগেই চোখ বন্ধ হয়ে যায়। এই চেতন অংশের সাথে অবচেতন অংশের সিগনাল সিনক্রোনাইজ না হওয়াকে বলে (Brain Functional Disconnection).

why deja vu happen , দেজা ভ্যু

এখন বুঝতে পারবেন দেজা ভ্যু কেন হয়:

আমরা এতক্ষণের জানতে পেরেছি যে অবচেতন অংশ এবং ভিজুয়াল কর্টেক্স থেকে আসা সিগন্যাল আমরা দেখার আগে একত্রে সিনক্রোনাইজ হয়। এখন যদি ব্রেনের যে কোন সমস্যার কারণে হঠাৎ এই অবচেতন অংশ এবং ভিজুয়াল কর্টেক্স থেকে আসা সিগন্যাল একত্রে সিনক্রোনাইজ না হয় তখন কি হবে? যেহেতু অবচেতন অংশের সিগনাল প্রসেসিং স্পিড বেশি তাই অবচেতন অংশ আগে সিগনাল প্রসেস করে পাঠিয়ে দেবে দেখার জন্য। এবং ধীরগতি সম্পন্য হওয়ার কারনে সামান্য কিছু সময় পর ভিজুয়াল কর্টেক্স থেকে আবার সিগনাল যাবে দেখার জন্য।

যার ফলে আপনার ব্রেইন একই ছবি দুইবার দেখতে পাবে। একটু আগে আর পরে। এই দ্বিতীয় ছবিটি দেখার পর ব্রেনের মনে হয় “আরে এই ছবিতো এর আগেও দেখেছি!”। কিন্তু এটা খেয়াল করতে পারেনা যে এই মাত্রই ছবিটা দেখছিলাম। কারন এই ছবি দুটি এতটাই সামান্য সময়ের মধ্যে দুইবার আসে যে প্রথম ছবিটি মেমোরিতে সেভ হওয়ার আগেই দ্বিতীয় ছবিটি চলে আসে। যার ফলে দ্বিতীয় ছবিটি আসার পর ব্রেন কনফিউজড হয়ে মেমোরিকে কল করে এটা বের করার জন্য যে এই ছবি এর আগে কোথায় এবং কখন দেখেছি। কিন্তু যেহেতু প্রথম ছবিটি এখনো মেমোরিতে সেভ হয়নি তাই ঠিক কবে দেখেছেন সেটিও খুঁজে পাওয়া যায় না।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায়:

ধরেন, A-B আপনার সামনে ওই সময়ে দেখা দুটি মুহূর্ত। যখন আপনি A মুহূর্ত টা দেখলেন তখন আপনার ব্রেনের কোন এক সমস্যার কারনে হঠাৎ ভিজুয়াল কর্টেক্স এর সাথে অবচেতন অংশের সিগনাল ডিসকানেক্ট হয়ে গেল। ফলে অবচেতন অংশ থেকে A মুহূর্তের ছবিটি ব্রেইন আগে দেখবে। ঠিক তার সামান্য পরে ভিজুয়াল কর্টেক্স থেকে ওই A মুহূর্তটার ছবি ব্রেইন আবার দেখবে। তখন আপনার ব্রেইনের মনে হবে আরে এই A তো আমি আগেও দেখেছি। সঙ্গে সঙ্গে ব্রেন আমাদের মস্তিষ্কে থাকা মেমোরি অংশে কাছে জানতে চাইবে এই A এর আগে কখন দেখা হয়েছে? যেহেতু অবচেতন অংশ থেকে আসা A মুহূর্তের ছবি এখনো মেমোরিতে সেভ হয়নি তাই মেমোরির কাছে এই A সংক্রান্ত কোনো ডাটা পাওয়া যাবে না। ঠিক তখনই ব্রেইনে কনফিউশন শুরু হয়। মনে হয় যে এই জিনিস আমি এর আগেও দেখেছি কিন্তু ঠিক কবে, কখন, কিভাবে দেখেছি তা জানিনা।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই দেজা ভ্যু আসলে হয় ব্রেনের নিউরোলজিক্যাল সমস্যার কারণে। বছরে দুই এক দিন দেজা-ভ্যু হলে সেটি কোন সমস্যা নয়। সচরাচর আমরা সবাই দেখে থাকি। কিন্তু যদি কেউ মাঝেমধ্যেই দেখে থাকেন, মাসে দুই তিনবার তাহলে তার নিউরোলজিক্যাল ডক্টরের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

( আপনার করা প্রতিটি কমেন্ট আমাদের উৎসাহিত করে। )
উপরের বিষয় সম্পর্কে আপনার মতামত নিচের কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিন। অথবা এরপর আপনি আর কোন বিষয় সম্পর্কে জানতে চান তা নিচের কমেন্ট বক্সে বলুন।
এই পেইজে প্রতিদিন এরকম নতুন নতুন মজার বৈজ্ঞানিক তথ্য পাবেন। তাই দিনে অন্তত একবার এই পেইজটি ভিজিট করুন।
অথবা এরকম আরো বৈজ্ঞানিক তথ্য একসাথে অনেকগুলো দেখতে চাইলে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
আরো তথ্য
জীব জগৎ Tags:Déja vu, mystery, Science, দেজা ভ্যু

Post navigation

Previous Post: হাইপারলুপ

Related Posts

আমাদের শরীরের অর্ধেকের বেশি ব্যাকটেরিয়া দিয়ে তৈরি আমাদের শরীরের অর্ধেকের বেশি ব্যাকটেরিয়া দিয়ে তৈরি জীব জগৎ
হার্মিং বার্ড হার্মিং বার্ড বা হামিংবার্ড সম্পর্কে মজার কিছু তথ্যঃ জীব জগৎ
guest

guest

206 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
Fojlay Rabbi
Fojlay Rabbi
3 years ago

Love

Reply
Hanif
Hanif
3 years ago

Jsgdg

Reply
Afra Raisa
Afra Raisa
3 years ago

এই প্রশ্নটা ছোটবেলা থেকেই আমার মনে ঘুরপাক খেত । আজ সত্যিই বিষয়টা পরিষ্কার হলো ❤️

Reply
আল-মামুনের
আল-মামুনের
3 years ago

আমি আরো বিজ্ঞান মজার বিষয় সম্পর্কে জানতে চাই

Reply
আল-মামুনের
আল-মামুনের
3 years ago

আমি আরো বেশি এইসব মজার টিপ্ছ পেতে চাই

Reply
MD Emon
MD Emon
3 years ago

আমাকে কিছু ডাক্তারি সম্পর্কে জানান

Reply
Rayhan
Rayhan
3 years ago

আমাদের কোন সময় কী কাজ করা দরকার তা সমন্ধে কিছু পাঠাবেন….।❤️

Reply
Rayhan
Rayhan
3 years ago

এরকম মজার গল্প আরো পেতে চাই..।আমি অনেক ভার দেখেছি আমার সাথে এমন হয়েছে।তাই এরকম কিছু পেতে চাই যা আমাদের দৈনিক জীবনে কাজ লাগে………………।

Reply
Rayhan
Rayhan
3 years ago

আমার মাঝে মধ্যে এরকম হয়‍‍

Reply
রায়হান
রায়হান
3 years ago

এটা পড়ে আমার খুব উপকার হয়েছে।❤️
আবার অন্য কিছু জানান………।

Reply
লিখন
লিখন
3 years ago

খুব ভালো

Reply
Apurbo
Apurbo
3 years ago

Vai onek valo lakse notun kisu den

Reply
md ballal
md ballal
3 years ago

আমার কিছু ডাক্তারি সর্ম্পকে যানান

Reply
Mahin ❤️
Mahin ❤️
3 years ago

Many many thanks for you❤️

Reply
SM.SAIM MUNSHI
SM.SAIM MUNSHI
3 years ago

Hisabbiggan niye kisu volben…
Please please …

Reply
MH.Gaming ®☆Free Fire™
MH.Gaming ®☆Free Fire™
3 years ago

Nice topics

Reply
Thanjum
Thanjum
3 years ago

Hi

Reply
শান্ত
শান্ত
3 years ago

A rokom aro chai.kintu agulo sexual bishoee Dile Bhalo hoe

Reply
Jonaeid hasan
Jonaeid hasan
3 years ago

Go ahead

Reply
সাবিহা
সাবিহা
3 years ago

রসায়ন নিয়ে মজার কিছু জানতে চাই

Reply
Kabir
Kabir
3 years ago

Physic Nia kicu Janta cai

Reply
জাকিয়া
জাকিয়া
3 years ago

onek shundor kotha

Reply
Karibul
Karibul
3 years ago

আমার এই গুলো বিষয় পড়ে ভালোই লাগে। বিজ্ঞান কে আবিষ্কার করেছে। আমি জানতে চাই

Reply
মাহমুদ হাসান
মাহমুদ হাসান
3 years ago

এই অ্যাপটি খুবই ভালো

Reply
Fahim
Fahim
Reply to  মাহমুদ হাসান
3 years ago

hi

Reply
moskan
moskan
3 years ago

thank.you.very.maus

Reply
জেরিন
জেরিন
3 years ago

গনিত নিয়ে কিছু জানতে চাই প্লিজ বলবেন

Reply
MH Noyon
MH Noyon
Reply to  জেরিন
3 years ago

শুরু করা যাক একটা মজার গল্প দিয়ে- এক দিন এক লোক একটা ধাঁধাঁ নিয়ে এক গণিতবিদের কাছে আসলেন, তার ধাধা হলো- ৩ জন জেলে সমুদ্রে মাছ ধরতে গেছে। মাছ ধরে ক্লান্ত হয়ে রাতের বেলা এক দ্বীপে ঘুমিয়ে পড়ল সবাই। রাতে একজনের ঘুম ভেঙ্গে গেল, সে মাছ গুলো তিন ভাগ করতে গিয়ে একটা বাড়তি মাছ পেয়ে সমুদ্রে ফেলে দিল এবং নিজের এক ভাগ নিয়ে চলে গেল। ২য় জনের ঘুম ভাঙ্গার পর সে ও একই কাজ করল, মাছ গুলো তিন ভাগে ভাগ করে একটা বাড়তি মাছ ফেলে দিয়ে নিজেরটা নিয়ে গেল। ৩য় জন ও একই কাজ করল। এখন প্রশ্ন হল- সর্বনিম্ন কতটি মাছ হলে এভাবে ভাগ করা সম্ভব। গণিতবিদ মনোযোগ দিয়ে প্রশ্নটি শুনলেন, একমুহুর্ত চিন্তা করে বললেন, -2 টি মাছ হলেই চলে!! প্রশ্নকর্তা হতবাক। সে আশা করেছিল প্রচলিত উত্তর (25),মাছ কিভাবে “-2″ হবে সেটা তাকে কে বোঝাবে? গাণিতিক ভাবে তার উত্তর একেবারেই নিখুঁত। ১ম জেলে -2 টি মাছ ভাগ করতে গিয়ে একটা ফেলে দিল- মাছ হল -3 [-2-(+1)] টি। এখান থেকে সে -1 টি মাছ নিয়ে গেলে -2[-3-(-1)] টি মাছ থাকল, ২য় এবং ৩য় জনও একই কাজ করবে এবং তার পরও -2 টি মাছ থাকবে !! অনেকে মনে করতে পারেন এই গল্প বুঝি বানানো। এটা মোটেও মানানো গল্প না।আলোচ্য গণিতবিদ হলেন নোবেল বিজয়ী পল ডিরাক যিনি সর্বপ্রথম অ্যান্টিম্যটার বা প্রতিপদার্থের ভবিষৎবানী করেছিলেন।এখন আমরা বুঝতে পারি তাঁর মাথায় এমন অদ্ভূত সমাধান কিভাবে এলো। এখানেই হলো গণিতের মজা। একটা সমাধান যত অদ্ভুতই হোক না কেন, সেটা গাণিতিক ভাবে ঠিক থাকলেই হলো।
আরো মজার ব্যাপার ঘটে কাল্পনিক সংখ্যার বেলায়। নামটার মাঝেই অন্যরকম ভাব, “কাল্পনিক” যে সংখ্যা কল্পনায় সেটাকে নিয়ে আবার অঙ্ক করে কিভাবে? প্রশ্নটার মত উত্তরটাও মজার। বাস্তবের মাঝে একটা কল্পনা আনলে আরেকটা বিপরীত কল্পনাও আনা হয়। শেষে দেখা যায় কল্পনা গুলো নিজে নিজেই চলে যায়। ছোট্ট একটা উদাহরন দেয়া যাক। যদি বলা হয় 8 কে এমন দুই ভাগে ভাগ করতে হবে যাদের গুনফল হবে 24। 8 খুব বেশি বড় সংখ্যা না,তাই ভাগ করা শুরু করে দেই,
8=1+7; 1×7=7
8=2+6; 2×6=12
8=3+5; 3×5=15
8=4+4; 4×4=16
তাহলে দেখা গেল 16 এর বেশি পাওয়া গেল না। আমরা এক কাজ করি, এই ভাবে অংকটা করার চেষ্টা করি-
8=4+4
=(4+x)+(4-x)
এখন (4+x)(4-x)=24 সমাধান করলেই উত্তর পাওয়া যাবে।

Reply
আরিদ আহমেদ,কালিয়াকুর গাজিপুর
আরিদ আহমেদ,কালিয়াকুর গাজিপুর
Reply to  MH Noyon
3 years ago

solution:
(4+8)+(4-16)=12+12=24মিলিয়ে দেখুন উত্তর ঠিক হয়েছে কিনা

Reply
Sabbir
Sabbir
Reply to  আরিদ আহমেদ,কালিয়াকুর গাজিপুর
3 years ago

Jan ta cai

Reply
Karibul
Karibul
Reply to  জেরিন
3 years ago

Hi. Who are you.

Reply
Karibul
Karibul
Reply to  জেরিন
3 years ago

তুমি কোন ক্লাসে পড়ো

Reply
Robiol
Robiol
Reply to  Karibul
2 years ago

10

Reply
Karibul
Karibul
Reply to  জেরিন
3 years ago

তুমি কোন ক্লাসে পড়ো

Reply
সাক্রিন
সাক্রিন
3 years ago

এরপর আমি লম্বা এবং খাটো হওয়া নিয়ে কিছু জানতে চাই

Reply
Mahin ❤️
Mahin ❤️
Reply to  সাক্রিন
3 years ago

HMM AMIO JANTE CHAI

Reply
Tanjemul
Tanjemul
3 years ago

Nice

Reply
Sadiya
Sadiya
3 years ago

Biggan somporke sob to tothho

Reply
Sanjida Akter Adifa
Sanjida Akter Adifa
3 years ago

vaiya aro dile vlo hoi onek vlo laglo amr kaca…

Reply
Sanjida Akter Adifa
Sanjida Akter Adifa
3 years ago

Ohh Excelent…

Reply
Monna
Monna
3 years ago

Ghhhhhh

Reply
Mk+ Mahabub
Mk+ Mahabub
3 years ago

অনেক সুন্দর

Reply
Zubaer
Zubaer
3 years ago

I like it.

Reply
Afra Raisa
Afra Raisa
Reply to  Zubaer
3 years ago

Like u

Reply
Md Smart
Md Smart
3 years ago

আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে,এমন তথ্য আরও জানতে চাই।

Reply
Fariya
Fariya
3 years ago

আরো এই রকম অনেক সুন্দর সুন্দর মজার গল্প চাই

Reply
Azouya akter Ive
Azouya akter Ive
3 years ago

Wow very nice and interesting.

Reply
Siam Islam
Siam Islam
3 years ago
Reply
Amena
Amena
3 years ago

Beautiful

Reply
minhaz
minhaz
3 years ago

এরকম মাঝে মাঝে আমার সাথে হয়

Reply
Oishi
Oishi
3 years ago

Interesting

Reply
Durjoy Sen
Durjoy Sen
Reply to  Oishi
3 years ago

this name is very known to me. Have a historical history about this name

Reply
Maria
Maria
3 years ago

Very Interesting Arro dekte Chai Agula

Reply
Md.Mahmud Hasan
Md.Mahmud Hasan
3 years ago

Nice

Reply
Md.Mahmud Hasan
Md.Mahmud Hasan
3 years ago
Reply
Kazi Rasel
Kazi Rasel
3 years ago

অসাধারণ পোষ্ট

Reply
IMAM Hussain (Nirjon)"""
IMAM Hussain (Nirjon)"""
3 years ago

Nice

Reply
IMAM Hussain
IMAM Hussain
3 years ago

Nice

Reply
চুদা চুদা
চুদা চুদা
3 years ago

কনডেম

Reply
আয়েশা
আয়েশা
3 years ago

বিজ্ঞান কাকে বলে?

Reply
Arisha
Arisha
3 years ago

Onek kicu jante parlam thanks

Reply

Categories

  • ইউনিভার্স
  • জিওগ্রাফি
  • জীব জগৎ
  • টেকনোলজি
  • প্রকৃতি

Copyright © 2022 SniverTech

Powered by PressBook Masonry Blogs