একটি মেঘের ওজন প্রায় পাঁচ লাখ কেজি হতে পারে।
শৈশবে তুলতুলে পাতলা মেঘে ভাসার স্বপ্ন দেখেছেন? মেঘ আসলে এতটা পাতলা নয়। ইউএসজিএস অনুসারে গড় কিউমুলাস মেঘ পাচ লাখ কেজি (৫০০০০০ কেজি বা ১১০ টন) পর্যন্ত হতে পারে। পৃথিবীর সবচাইতে বড় যাত্রিবাহি বিমান পরোপুরি ভরা থাকা অবস্থায় যে ওজন থাকে এই মেঘের ওজন তার চাইতেও বেশি হতে পারে।
কিন্তু এখন প্রশ্ন হলো কীভাবে এত ওজন বাতাসে থাকে এবং আমাদের মাথায় পড়ে না?
এর আসল কারণ মেঘের ওজন তার চারপাশের পরিষ্কার, শুষ্ক বাতাসের তুলনায় কম হয়। একটি মেঘের সমস্ত জলের কণার যে ওজন তারচেয়ে আশেপাশের শুষ্ক বায়ু কণার ওজন প্রায় 1,000 গুণ বেশি ভারী! সুতরাং, মেঘ এর আশেপাশের শুষ্ক বাতাসের তুলনায় কম ঘন, যা মেঘকে নিরাপদে আমাদের মাথার উপরে ভাসতে দেয়।
কেন মেঘ ভাসতে পারে তার আরেকটি ব্যাখ্যা হলো, ওই মেঘের পানির কনাগুলো কতটা ছোট এবং কতটা যায়গা জুরে আছে তা। মেঘ তৈরি হয় অত্যন্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পানির কনা দিয়ে এবং এই কনাগুলো অনেকটা জায়গা জুড়ে ছরিয়ে থাকে। যার ফলে এই কনাগুলোর উপর মাধ্যাকর্ষণ এর হার আশেপাশের বাতাসের চাইতে কম হয়। ফলে মেঘ আকাশ বা বাতাসে ভাসতে পারে।
যদিও, বিভিন্ন প্রক্রিয়া্য পরবর্তিতে এই কনাগুলো ঘনিভুত হয়। যার ফলে জলের কনাগুলোর ওজন বাড়তে থেকে। এবং একসময় এগুলোর ওজন আশপাশের বাতাসের কনার চাইতে বেশি হয়ে যায়। তখন এগুলো বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে।
সবসময় ফেসবুকে আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে ফলো দিয়ে রাখুন। লিঙ্ক

Valo